এক যুবককে দেখলাম। যে ট-শার্ট পরেছেন, সেখানে বেশ বড় করে পর্ণ সাইটের নাম।

এক যুবককে দেখলাম। যে ট-শার্ট পরেছেন, সেখানে বেশ বড় করে পর্ণ সাইটের নাম। চলার পথে তাকে দেখিয়ে আরেকজন বলছে, দেখ দেখ অমুক পর্ণ সাইটের নাম! যে টি-শার্টটা পরেছে, আর যারা দেখিয়ে দেখিয়ে আলাপ করছে, কাউকে লজ্জিত মনে হলো না। মনে হচ্ছে যেন খুব মজার কোনো ব্যাপার। বিষয়টা এমন না যে এই যুবক সেই পর্ণ সাইটের ব্র্যান্ড এম্বেস্যাডর, মাসে মাসে তাকে টাকা দেওয়া হয়। সমাজটা এমন হয়ে গেছে, আমরা নিজেদের একটু আলাদা প্রমাণ করতে চাই, আমরা মানুষের আলোচনায় থাকতে চাই। আমরা চাই মানুষ আমাদেরকে আলাদা মনে মরুক। সেজন্য আমরা যা তা করতে পারি। এই মানসিকতা আমাদের এই প্রজন্মের মধ্যে ঢুকে গেছে। আর এর পরিণতিতে এই প্রজন্ম থেকে হারিয়ে গেছে সবচেয়ে মূল্যবান জিনিস–হায়া, নৈতিকতা, মূল্যবোধ। কারণ যা তা করতে চাওয়ার সাথে হায়ার সম্পর্ক ব্যস্তানুপাতিক। নবিজি (সাঃ) বলেছেন, “মানুষের উপর থেকে যখন হায়া উঠে যায়, সে যা খুশি তাই করতে পারে।” একটি সমাজ, সেই সমাজের মানুষ ব্যক্তিগত পর্যায়ে খারাপ হতে পারে, তাদের অনেক ব্যক্তিগত দোষ ত্রুটি, পাপ থাকতে পারে। কিন্তু মানুষ যখন সেটা গর্বভরে প্রচার করে, সেটা নিয়ে জাতে উঠতে চায়, সে পাপাচারকে সমাজে সহজ স্বাভাবিক বানিয়ে নেয়, তখন সেই সমাজের উপর আযাব আসন্ন। আমাদের রব বলেছেন, “নিঃসন্দেহ যারা ভালবাসে যে যারা ঈমান এনেছে তাদের মধ্যে অশ্লীলতা প্রসার করুক তাদের জন্য রয়েছে মর্মন্তুদ শাস্তি এই দুনিয়াতে ও আখেরাতে। আর আল্লাহ্ জানেন, আর তোমরা জান না। ” (সূরাহ নূর, ২৫: ১৯)

Related Post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *